
নির্বাচনে অপসাংবাদিকতা বন্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি
নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে সাংবাদিকতার নামে অপসাংবাদিকতা বন্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে ঘিরে কিছু ভুয়া ও ভুঁইফোড় ব্যক্তি নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রচার করছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
সচেতন নাগরিকদের মতে, এসব অপসাংবাদিকতার কারণে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে। কোথাও কোথাও ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির অভিযোগও উঠেছে, যা গণমাধ্যমের পেশাগত মর্যাদাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
তারা বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল ও সম্মানজনক পেশা। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল ও নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
সচেতন মহলের দাবি, প্রকৃত সাংবাদিক ও ভুয়া সাংবাদিকদের আলাদা করে শনাক্ত করতে দ্রুত একটি কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। একই সঙ্গে অপসাংবাদিকতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড কমে আসবে।
এ বিষয়ে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে নির্বাচনকালীন সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা অক্ষুণ্ন থাকে।
ভুয়া ও ভুঁইফোড় সাংবাদিকতার মাধ্যমে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্মানহানি, চাঁদাবাজি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়�